Archive for জুলাই, 2010

‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা এবং একজন বোকা মানব


বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ করিয়াছি তাহা প্রায় আড়াই বৎসর হইয়াছে। সবকিছু সঠিক পথে চলিলে হয়তো দেখা যাইবে আর দেড় কি দুই বৎসরের মাথায়ই আপন নামের শেষে প্রকৌশলী শব্দটি বসাইবার অধিকার অর্জন করিয়া ফেলিব। আহা, কি আনন্দের ব্যাপারই না হইবে তাহা। কিন্তু একটি দুঃখ কিন্তু মনে সবসময়ই তাড়াইয়া বেড়াইবে, তাহা হইলো; এমনই এক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্জন করিলাম যেখানে ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চার কোন সুযোগই নাই। সারাক্ষন সকলেই শুধু পড়িবার কথাই বলে। ইহা কোন কথা হইলো? বিশ্ববিদ্যালয়ে আসিয়া যদি আপন জ্ঞান চতুর্দিকে বিকশিত করার সুযোগ না’ই পাই তাহা হইলে আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কি সার্থকতা?

ইহাই ভাবিতাম আমি চার-পাঁচদিন পূর্বেও। কিন্তু হঠাৎই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পদের কিছু রদবদল ঘটিয়া গেল। ভাবিলাম, দেখা যাক এইবার কি হয়। নতুন ব্যক্তি, নিশ্চয়ই নতুন কিছু করিবেন। আমার ধারনা যে একেবারেই সঠিক তাহা একদিন গত হইতে না হইতেই প্রমান হইয়া গেল। ছাত্রাবাসে দেখিলাম উপাচার্য মহোদয় হইতে বার্তা আসিয়াছে,”আর কোন বাঁধা নাই; এখন সকল ছাত্র ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা করিতে পারিবে। আমাদিগের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সঠিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ তৈয়ারি করিতে হইবে।” ইহা জানিয়া আমি যারপরনাই প্রীত হইয়া গেলাম। ভাবিলাম, যাক এইবার বুঝি আমার অপূর্ন সাধ কিঞ্চিত মিটিবে। কেননা কুয়েটের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগীতা বিষয়ক সংগঠন SGIPC এবং আলোকচিত্রী সমিতি KUETPS এই দুইটির প্রতিষ্ঠার সাথেই আমি প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। এইবার আর পায় কে? প্রতিষ্ঠা যখন করিয়াছি আর ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চাও যখন উন্মুক্ত, তখন তো এইবার কোমরে দড়ি বাঁধিয়া নামিতে হইবে। শুধু প্রতিষ্ঠা করিলেই কি চলিবে নাকি, তাহাদের শক্ত অবস্থানে লইয়া যাইতে হইবে না। মনে মনে ইহাও ভাবিতেছিলাম, দুই দুইটা ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা হয় এমন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন আমি, উপাচার্য খুশি হইয়া আমাকে বিশেষ কোন পুরষ্কার না দিয়া দেন। ইহা ভাবিতে ভাবিতে আমি যখন ছাত্রাবাসের বিভিন্ন কক্ষে ঘুরিয়া বেড়াইতেছিলাম তখন দেখি বিভিন্নজন বিভিন্ন অপপ্রচার চালাইতেছে এই ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চার উন্মুক্তকরন লইয়া। মনে মনে ভাবিলাম, এই সকল ছাত্র হইতে দেশ কি পাইবে? ইহারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পন করিয়াছে, অথচ এখনো বাল্যকালের বিদ্যালয়ের মনোভাব ছাড়িতে সমর্থ হয় নাই। হায় কি দুঃখ!

দুঃখিত মন লইয়া আনসারী ভাই এর দোকনে নাস্তা করিতে যাইয়া দেখি এলাহী কান্ড। ছাত্ররা দলে দলে ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা করিতে নামিয়া পড়িয়াছে। তাহারা দেখি রীতিমতো মিছিল করিয়া ইহা উদযাপন করিতেছে। ইহা দেখিয়া আমার দুঃখ গায়েব হইয়া গেল। এত মানুষ ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা করিতে নামিয়াছে, আর আমি কিনা কিছু কূপমন্ডুক এর কথায় মন খারাপ করিয়া ঘুরিতেছি। কি বোকা আমি!

খানিক সময় মিছিলটি পর্যবেক্ষন করিবার পর বুঝিতে পারিলাম ইহা একটি রাজনৈতিক মিছিল। এইবারে ধন্দে পড়িয়া গেলাম। আমি তো জানতাম আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ড চালানো সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। তাহলে এই মিছিল কোন স্পর্ধায় বাহির করিল তাহারা? ছাত্রাবাসে আসিয়া আবার খুজিলাম যে রাজনীতিও কি আমাদিগের বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্মুক্ত করা হইয়াছে নাকি? কিন্তু কিছুই খুজিয়া পাহিলাম না। মনে একটা ক্ষীন সন্দেহ উঁকি দিতেছিল, ইহার সাথে আবার ‘মুক্তবুদ্ধি’ চর্চার কোন সম্পর্ক নাই তো? কালবিলম্ব না করিয়া অন্তর্জাল জগতে আসিয়া উঁকি দিলাম ছাত্র রাজনীতি বিষয়ে। বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করিলাম, এই বিষয়ে যাহাই দেখি সব বাংলাদেশ সম্পর্কিত। ইহা আবার কি ব্যাপার? খানিক সময় ইহা লইয়া মাথা খাটাইবার পর মনে হইল যে, রাজনীতিও বোধহয় ‘মুক্তবুদ্ধি’ চর্চারই একটা অংশ। কতিপয় জ্ঞানী ব্যক্তির সহিত আলাপ করিয়া জানিতে পারিলাম যে, রাজনীতি নাকি অতি উচ্চশ্রেনীর ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা। আর তাহাতেই সকলে এত আনন্দিত হইয়া ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চা করিতে ঝাপাইয়া পড়িয়াছে। আবারো আমি যে এক গন্ডমূর্খ, তাহার প্রমান পাইলাম।

ভাবিতেছি আর বিলম্ব করা চলে না। যেহেতু আমি কুয়েটে ‘মুক্তবুদ্ধি’ চর্চার একজন অগ্রনী সৈনিক সেহেতু এক্ষনই নতুন কোন রাজনৈতিক সংগঠন তৈয়ারি করিয়া মাঠে নামিয়া যাইতে হইবে। নতুবা আমার পুরষ্কারটা না অন্য কেহ ছিনাইয়া লইয়া যায়!

Bookmark and Share

Advertisements

বিস্ময় (শেষাংশ)


(প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করছি এতোটা দেরি করার জন্য। বিভিন্ন ব্যস্ততার জন্য এতদিন গল্পটির শেষ অংশটুকু দিতে পারি নি)

রকিব ব্যাবসয়ার খাতিরে বেশির ভাগ সময়ই বাইরে থাকে, সুতরাং মুনিরা স্ত্রী হিসেবে তার কাছ থেকে যে সময়টুকু আশা করে তা বেশির ভাগ সময়ই সে পায় না। সে ক্ষেত্রে অন্য কোন সুদর্শন পুরুষ মানুষ এর প্রতি তার আকৃষ্ট হওয়াটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলো না। মুনিরা বুঝতে পারলো যে সে ধীরে ধীরে জাহিদ এর প্রতি দূর্বল হয়ে যাচ্ছে। যদিও সে মনকে বারবার প্রবোধ দেবার চেষ্টা করছিল যে, এটা অন্যায়। কিন্তু কেন যেন মন তা মানছিল না। মুনিরা যখন এই মানসিক দ্বন্দে ভেবেই পাচ্ছিল না কি করবে তখনই একদিন জাহিদ এর কাছ থেকে প্রস্তাবটা এল।

সেদিন ছিল মঙ্গলবার। আসিফকে স্কুলে রেখে এসে মুনিরা বরাবরের মতোই যুথীর পার্লারে গিয়েছে। সেখানে গিয়ে দেখে জাহিদ বসে আছে। মুনিরাকে দেখেই সে বলল, আরে আসুন আসুন, আপনার কথাই ভাবছিলাম।

মুনিরা অবাক হবার ভান করে বলল, কেন, আমার কথাই ভাববেন কেন? ঘরে সুন্দরী বউ আছে, কিন্তু তারপরও কি মনে করে আমার কথা?

জাহিদ খানিক হেসে উত্তর দিল, সে যাকগে। চলুন কোথাও বসে একটু চা খেয়ে আসি।

মুনিরাও সানন্দে রাজি হয়ে যায়। জাহিদ চা খাবার কথা বলে নিয়ে গেল এক চাইনিজ রেস্টুরেন্টে। সেখানকার মৃদু আলোতে এম্নিতেই সবকিছু কেমন যেন রহস্যময় লাগে, তার উপর বিভিন্ন টেবিলে জুটি বেধে বসে আছে আজকালকার ছেলে-মেয়েরা। মুনিরা এদের দেখে কেমন যেন লজ্জা পেয়ে যায়। এখানে উপস্থিত কেউই যে স্বামী-স্ত্রী না তা দেখেই বোঝা যায়। সে নিজে একজন বিবাহিতা নারী, সেও এসেছে অন্য এক পুরুষের সাথে। এই ভেবেই সে যেন কেমন অস্বস্তি বোধ করছিল। জাহিদ তাকে নিয়ে কোনার এক টেবিলে গিয়ে বসলো। ওয়েটারকে দু’কাপ কফি দেবার কথা বলে মুনিরার সাথে বিভিন্ন কথা বলতে লাগলো। হঠাৎ করেই সে মুনিরাকে বলে বসলো, মুনিরা আমি তোমাকে ভালবাসি।

মুনিরা চমকে উঠে জাহিদ এর দিকে তাকালো। জাহিদ এসব কি কথা বলছে? মুনিরার নিজের মনের মাঝেও একথা ছিল। জাহিদও যে তাকে পছন্দ করতো তাও সে বেশ বুঝতে পারতো। তাই বলে সরাসরি ভালবাসি বলে ফেলবে?

জাহিদ মুনিরার হাত ধরে বললো, মুনিরা আমি জানি তুমিও আমাকে ভালবাস। বল, বাস না?

ঘটনার আকস্মিকতায় মুনিরা কেমন যেন স্থবির হয়ে গেছে। সে আড়ষ্ট ভঙ্গিতে মাথা নাড়িয়ে জানিয়ে দেয় যে, সেও মন থেকে জাহিদকে চায়।

দুদিক থেকেই সম্মতি থাকায় তাদের মাঝে আর কোন বাধা থাকে না। যদিও দুইজনেই বিবাহিত কিন্তু সে কথা ভুলে গিয়ে দুজনেই প্রেমে মত্ত হয়ে ওঠে। আগে মুনিরার বাসায় জাহিদের যাতায়াত ছিল না, এখন সেটাও প্রায় নিয়মিত হয়ে দাড়িয়েছে। মুনিরার বাসা বেশির ভাগ সময় খালিই থাকে। তাই তেমন কোন সমস্যাও নেই।

সেদিন রবিবার ছিল। রকিব কি একটা কাজে নারায়নগঞ্জ গিয়েছিল। তার ফিরতে ফিরতে তিনদিন লেগে যাবে। আসিফের সামান্য জ্বর এসেছিল। সে স্কুলে যায় নি। বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে ছিল। এসময় হঠাৎ জাহিদ এসে হাজির। মুনিরারও একা একা ভালো লাগছিল না, মনে মনে তাই জাহিদকে এই মূহুর্তে আশা করছিল। ড্রইং রুমে বসে গল্প করতে করতেই জাহিদ মুনিরার সাথে বেশ অন্তরঙ্গ হয়ে বসে। এতদিন ধরে তাদের সম্পর্ক চলছে। এর মাঝে তা যথেষ্ঠই গভীরতা পেয়েছে। সামাজিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ এর সীমাও তারা বহুবারই ছাড়িয়ে গিয়েছে। এতদিন জাহিদ যখন আসত তখন বাসা খালিই থাকত, আজ যদিও আসিফ বাসায় আছে। কিন্তু সে ঘুমিয়ে আছে ভেবে মুনিরা সেই চিন্তাটা মাথা থেকে সরিয়ে দিল। এর মাঝেই তারা যথেষ্ঠ অন্তরঙ্গ হয়ে পড়লো। হঠাৎই জাহিদের হাতের ধাক্কায় সোফার পাশের টেবিল থেকে একটা পিতল এর শোপিস পড়ে যায়। ঝনঝন শব্দ করে ওঠে তাতে। কিন্তু ওইদিকে খেয়াল করার কোন সময়ই নেই তখন তাদের।

অন্যদিকে শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায় আসিফের। সে মাকে ডাকতে গিয়েও কি মনে করে যেন ডাকল না। বিছানা থেকে উঠে মাকে খুজতে গেল। খুজতে খুজতে ড্রইং রুমে এসে মাকে এই অবস্থায় দেখে সে হতভম্ব হয়ে যায়। সে তার ছোট্ট জীবনে কখনো এ ধরনের ঘটনার সম্মুখিন তো কখনো হয়ই নি সেইসাথে নিজের মাকে এই অবস্থায় দেখে সে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে থাকে। তার এখন কি করা উচিৎ তা সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিল না।

হঠাৎই দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা আসিফের দিকে চোখ যায় মুনিরার। চমকে লাফ দিয়ে উঠে কাপড় ঠিক করে নেয় সে। লজ্জায় সে তখন থরথর করে কাঁপছে। সেইসাথে একটা অজানা ভয়ও তাকে গ্রাস করছে। লজ্জায়, অপমানে, ভয়ে মুনিরার মাথা একেবারে ফাঁকা হয়ে যায় তখন। সে ভাবে এই মূহুর্তে আসিফকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। ছুটে গিয়ে সে আসিফকে ধরে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আসে।

ড্রইং রুমে এসে সে কেমন যেন উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টিতে জাহিদের দিকে তাকায়। জাহিদ নিজেও বিপদ খানিকটা আঁচ করতে পারছিল। এ খবর যদি কোন ভাবে যূথী অথবা রকিবের কানে যায়, তাহলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। যূথী তাকে একজন আদর্শ স্বামী হিসেবে মানে। কিন্তু আসলে তা একেবারেই ভুল। আসিফের অভ্যাসই হচ্ছে পরকীয়া করে বেড়ানো। মুনিরার আগেও সে আরও দুইজনের সাথে এভাবে মিলিত হয়েছিল। অবশ্য শুধু পরকীয়ার আনন্দের জন্যই যে সে এমনটা করে তা বললে ভুল হবে। অর্থও এখানে একটা ভূমিকা রাখে। কেননা সে যাদের যাদের সাথে পরকীয়া করেছে, তারা সকলেই তার থেকে তূলনামুলক ভাবে ধনী। কিন্তু কখনোই এমন বিপদে পড়ে নি সে। আজকে বিপদ থেকে উদ্ধার পাবার জন্য কি করা যায় তা দ্রুত ভাবতে লাগলো সে। প্রথমেই মাথায় এল আসিফকে একেবারে সরিয়ে ফেলা। কিন্তু পরমূহুর্তে ভাবলো, একেবারে বাচ্চা মানুষ; আগে কিছু বুঝানোর চেষ্টা করা যাক। তারপর যদি না বোঝে তাহলে বালিশ চাপা দিয়ে দুই মিনিট ধরলেই হবে। সে মুনিরার দিকে তাকিয়ে বললো, চল দেখি ওকে ব্যাপারটা বুঝানোর চেষ্টা করি। তারপর দেখা যাক কি করা যায়।

মুনিরা কোন কথা না বলে চুপ করে দাড়িয়ে রইল। তার মাথায় তখন কিছুই ঢুকছিল না। জাহিদ তাকে ধরে নিয়ে আসিফের ঘরে এসে উপস্থিত হয়। আসিফ তখনো চোখ খুলে শুয়ে আছে। তাকে কেমন যেন মৃত মানুষের মতো দেখাচ্ছিল। বিস্মিত চোখে সে ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। জাহিদ তার কাছে গিয়ে দাড়ানোর পরও তার মাঝে কোন ভাবান্তর হলো না। জাহিদ আস্তে করে আসিফের পাশে বসলো, একবার মুনিরার দিকে তাকালো, তারপর আসিফের দিকে তাকিয়েই খানিকটা চমকে উঠলো। দেখলো আসিফের গলার কাছে দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ। ঠোটের কোঁনা দিয়েও খানিক রক্ত বের হয়ে এসেছে। এরকম কিছু সে ভাবতেই পারে নি। সে একবার আসিফের বুকের উপর হাত রাখলো, তারপরেই নিশ্চিত হয়ে গেল। জাহিদ অবাক হয়ে মুনিরার দিকে তাকালো। সে তখনো অপ্রকৃতিস্থের মতো দাঁড়িয়ে আছে। তারপর মাথা ঘুরিয়ে আসিফের দিকে তাকালো। নিথর হয়ে পড়ে আছে আসিফ। তার চোখ দুটো তখনো খোলা।  প্রাণহীন সে চোখে তখনো রাজ্যের বিস্ময়।

Bookmark and Share